১৯৫৭ সালে একটি নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয় রোমের রাস্তায় নীচে লুকোনো এক সমাধিক্ষেত্র। এই সমাধি দীর্ঘ সময় ধরে লুকানো ছিল। সমাধিতে পাওয়া যায় বহুমূল্যবান গহনায় সাজানো কঙ্কাল, ধারনা করা হয় এগুলো প্রথম দিকের খৃস্টানদের কঙ্কাল। তাই এগুলোকে অকৃত্রিম সাহস ও সৌর্য বির্যের প্রতীক হিসেবে খ্রিস্টান সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন।

পরে এমন আরও কিছু সমাধি পাওয়া যায় অধিকাংশ সমাধির নাম ‘সাধুদের ভুগর্ভস্থ সমাধিক্ষেত্র’ প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার এর সময়, কংকালের ধ্বংসাবশেষ গুলো ইউরোপ জুড়ে বিতরণ করা হয়। সমাধির কঙ্কালগুলো বহুমুল্যবান গহনা, মুকুট, দামি কাপড় এবং উন্নত বর্ম পরিহিত ও সুশোভিত ছিল।

পরে এই কংকাল গুলো কিছু গীর্জা ভিতরে প্রদর্শন করা হয়। এতে বোঝানো হয়েছে মৃত্যুর পর তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ধন-সম্পদ ও সৌভাগ্য। খ্রিস্টান সম্প্রদায় এগুলো বিশ্বাস করেন ও কঙ্কালগুলোকে শ্রদ্ধা করে। কারণ এখানেই প্রস্ফুটিত হয়েছে মৃত্যুর সৌন্দর্য্য।

ইউরোপের একটি চার্চে ৪০০ বছরের প্রাচীন সোনার গহনা দিয়ে সাজানো রয়েছে এমন কঙ্কাল যা সম্প্রতি কিছু ফুটেজের মাধ্যমে বেড়িয়ে এসেছে। অপরূপ সৌন্দর্য্যে সজ্জিত ওই কঙ্কালেই শোভা পেয়েছে মরণের পরের সুন্দর। ওই চার্চের এমন ১২টি কঙ্কাল পৃথিবীর সবথেকে গোপনীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে অন্যতম।

ভ্যাটিকানে এমন হাজারো কঙ্কাল রয়েছে, যেগুলি আনুমানিক ১৬ শতকের। সেগুলি উদ্ধার করা হয়েছে জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড থেকে। আবার ওই কঙ্কাল গুলির বেশির ভাগই পাঠানো হয়েছে ক্যাথোলিক চার্চ গুলিতে।

সমস্ত চার্চগুলি ওই সুপ্রাচীন কঙ্কালের শোভাকে আরও বেশি স্বর্ণাঙ্কিত করতে তাদেরকে সাজিয়ে রেখেছে সোনা, রূপা ও নানান রকম জহরে। ওই স্বর্ণাঙ্কিত কঙ্কাল গুলির নামকরণ করা হয়েছে ‘সাধু’। -সূত্র : আনবিলিভেবল ফ্যাক্ট ।

print