সাপের পাঁচ পা দেখা—প্রবাদটি হয়তো অনেকেই শুনেছেন, কিন্তু সাপের পাঁচ পা কেউ দেখেছেন বলে শোনা যায়নি। সম্প্রতি ব্রাজিলে চারপেয়ে সাপের জীবাশ্ম খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। এতে সাগরে নয়, সাপের উৎপত্তিস্থল ভূপৃষ্ঠে—এ ধারণা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।  বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে ব্রিটিশ ও জার্মান গবেষকেরা এ দাবি করেছেন। খবর এএফপির।
সম্প্রতি সায়েন্স সাময়িকীতে এই গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, এখনকার যে সাপ দেখা যায়, তার আদিপুরুষ ছিল চারপেয়ে।ব্রাজিলের ক্রেটো ফরমেশন অঞ্চলে এদের পাওয়া যেত।aadb21bf4b9dcb5a60a177ff4da73db4-1.18050সাপের পা
নতুন আবিষ্কৃত এই সাপের প্রজাতির নাম ট্রেটাপেডোফিস অ্যাম্পেলকটাস। এই প্রজাতি ১৪ কোটি ৬০ লাখ বা ১০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে ছিল। এ প্রজাতির সঙ্গে সাপের ধ্রুপদি অনেক বৈশিষ্ট্যের মিল পাওয়া যায়।
আদি এই সরীসৃপ প্রাণীর শরীর এখনকার সাপের মতো নমনীয় ছিল এবং শিকারকে পেঁচিয়ে ধরতে পারত। তবে সাপগুলোর যে বাহু বা পা দেখা যায়, এতে পাঁচটি আঙুল স্পষ্ট।
গবেষকেরা বলছেন, সাপের এই পা চলার কাজে ব্যবহৃত হতো না, বরং শিকার নিয়ে কাড়াকাড়ি বা প্রজননের কাজে লাগতো। এ সাপের লেজের দিকটা খাটো হওয়ায় সাপের বিবর্তন যে সমুদ্র থেকে হয়নি, এ বিষয়টির ইঙ্গিত দেয়।

print