স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার অষ্টম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের পর অন্তঃস্বত্বার ঘটনায় ওই কিশোরীরর বাবা বাদী হয়ে জিয়ানগর থানায় মামলা করেছে। মামলার ৩ দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত লম্পট আনসারকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। চন্ডিপুর এলাকবাসী সূত্রে জানাগেছে লম্পট আনসার ঘটনার পর গা ঢাকা দিলেও রাতের আধারে ওই এলাকার প্রভাবশালী লোকজনের সাথে বিষয়টি রফাদফার ব্যাপারে এসে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে চন্ডিপুর গ্রামের সাধারণ লোকজন লম্পট আনসার গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন বলেছে আনসার পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রি। সে মানুষের বাড়িতে কাঠের কাজ করতে গিয়ে এর আগেও বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের অপকর্মের চেষ্টা করেছে। আর ওই কিশোরীর পরিবারের দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে দিনের পর দিন কিশোরীটিকে জোড় পূর্বক ধর্ষণ করেছে। ধর্ষণের একপর্যায়ে কিশোরীটি অন্তঃস্বত্বা হয়, পরে লম্পট আনসার কিশোরীকে হুমকি দিয়ে বলেছে, তুই যদি এসব কথা কারো সাথে বলো তাহলে তোকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলবো। মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়টি তার পরিবার লক্ষ্য করলে এটি এলাকায় চাউড় হয়ে যায়। তখন লম্পট আনসার স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ে ওই কিশোরীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়। বিষয়টি বিভিন্ন ভাবে সংবাদকর্মীদের মাঝে জানাজানি হলে পিরোজপুর জেলা জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা লায়লা ইরাদ কিশোরীটিকে উদ্ধার করেন এবং পুনর্বসানের ব্যবস্থা করেন। এখন চন্ডিপুর এলাকাবাসীর একমাত্র দাবী যাতে দ্রুত লম্পট আনসারকে গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে বালিপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রুহুল আমীন বাগা বলেন, ঘটনার বিষয়ে চন্ডিপুর এলাকায় তোলপার চলছে। এলাকাবাসী দাবী করছে দ্রুত আনসারকে গ্রেফতার করা হোক। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিয়ানগর থানার উপ-পরিদর্শক অনুপ কুমার মন্ডল বলেন, আনসারকে গ্রেফতারের জন্য ওই এলাকায় ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছি। অচিরেই আমরা আনসারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।

print