স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার অষ্টম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের ফলে অন্তঃস্বত্বার ঘটনার পর ৭ দিন পার হয়ে গেলেও ধর্ষক আনসার আলীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এর আগে ওই কিশোরীর বাবা জিয়ানগর থানায় জোর পূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করে। এতে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে একটু টনক নড়লেও এখনও গ্রেফতারের আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ। জানাগেছে, আনসার স্বপরিবারে চন্ডিপুর এলাকা থেকে পালিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছে। জিয়ানগর পুলিশের তৎপরতার ব্যাপারে এলাকার লোকজন বিভিন্ন ধরনের সমালোচনা করছে। এছাড়া লম্পট আনসার চন্ডিপুর এলাকার এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির ছত্রছায়ায় ওই এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এলাকাবাসীর দাবী অচিরেরই যাতে লম্পট আনসার গ্রেফতার হয়। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  জিয়ানগর থানার উপ-পরিদর্শক অনুপ কুমার মন্ডল বলেন, আমরা বিভিন্ন ভাবে তথ্যের মাধ্যমে জানতে পেরেছি আনসার আলী ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় অবস্থান করছে। পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আমরা তাকে ঢাকা থেকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি। পিরোজপুরের পুলিশ সুপার  মো: ওয়ালিদ হোসেন  মামলাটির ব্যাপারে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং আনসারকে গ্রেফতারের ব্যাপারে জিয়ানগর থানার কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, গত ২৮ জুলাই ধর্ষণের ফলে অন্তঃস্বত্বার ঘটনাটি শুনে পিরোজপুর জেলা জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা লায়লা ইরাদ কিশোরীটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য বাগেরহাট নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন।

print