স্টাফ রিপোর্টার: স্বাভাবিক উপস্থিতি ও কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ঈদের টানা ছুটির আগের শেষ কর্মদিবস সমাপ্ত করলেন প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (জুন ৩০)  অফিসে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কাজকর্ম ছিল স্বাভাবিক। তবে রুটিন কাজের পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে আগাম ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ও সেরে নিচ্ছেন তারা।

শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে টানা নয় দিনের ছুটি ভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শবে কদরের ছুটির পর ৪ জুলাই অফিস খোলা থাকলেও আগামী ১৬ জুলাই শনিবার কাজে যোগ দেওয়ার শর্তে ওই দিনও ছুটি কাটাবেন সরকারি চাকুরেরা। দীর্ঘ ছুটির কারণে এবার তাই বাড়ি যাওয়ার তাড়া নাই তাদের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। এদিন সকাল থেকে সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবনের লিফটে ভিড় দেখা গেছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে ঘুরে দেখা গেছে স্বাভাবিক চিত্র। মন্ত্রী-সচিবরাও নিয়মিত অফিস করেছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, সকাল থেকেই উপস্থিতি ছিলো স্বাভাবিক। মন্ত্রী-সচিবরা অফিস করছেন। দীর্ঘ ছুটির কারণে বাড়ি যাওয়ার তাড়া নেই। ওই কর্মকর্তা নিজেও দু’দিন পরে বাড়ি যাবেন বলে জানালেন।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আরেক কর্মকর্তা জানালেন পরিবার আগেই দেশের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়ার কথা। তিনি নিজে বাড়ি যাবেন শুক্রবার।

সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবনের লিফটগুলোতে অন্য দিনের মতই মানুষ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন লিফটম্যান। ৬ নম্বর ভবনের একজন লিফটম্যান বলেন, আজও মানুষ কম নেই, স্বাভাবিক। শেষ দিনে লিফটম্যানরা সালাম দিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে  আদায় করে নিচ্ছেন বখশিস।

দুপুরে এক অনুষ্ঠানে সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, এবার ঈদযাত্রা অন্যবারের তুলনায় অনেক স্বস্তিদায়ক হবে। দীর্ঘ ছুটি এবং সড়কের অবস্থা ভাল থাকার কারণে ভোগান্তি পোহাতে হবে না বলে আশা মন্ত্রীর।

এদিকে, দীর্ঘ ছুটিতে কোনো অবাঞ্ছিত ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যেই নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা শুরু হয়েছে।

print