মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি : মঠবাড়িয়া পৌরসভায় ঈদ উপলক্ষে দুস্থ্যদের মাঝে ভিজিএফ কার্ডের চাল বিতরেণ ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পৌর সভার ৯টি ওয়ার্ডে ৪হাজার ৬শত ২০ জন দুস্থ্যদের জন্য জনপ্রতি ২০ কেজি চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরেজমিনে দেখাযায় কার্ডপ্রতি ২০ কেজির পরিবর্তে ১২-১৩ কেজি চাল দেয়া হচ্ছে। এ সময় ১নং ওয়ার্ডের কার্ডধারী ইউনুস বেপারী, ৫নং ওয়ার্ডের মাইনুল, দুলাল ও নাজমুল মিয়ার চাল অন্যত্র নিয়ে ওজন করে দেখা গেছে ওই চালে ২০ কেজির স্থলে ১২-১৩ কেজি চাল দেয়া হয়েছে। অভিযোগকারীরা জানান, আমাদের চাউল মাইপ্পা দেয়নাই। একটা বালতি ভইরা চাউল দিয়া দেছে। জানাযায়, কার্ডপ্রতি ৭ কেজি হিসেবে ৩২ হাজার ৩ শত ৪০ কেজি চাল কম দেয়া হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৯লাখ ৭০ হাজার ২শত টাকা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এই বিপুল অঙ্কের টাকার চাল কোথায় গেল? নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুর হোসাইন মোল্লা জানান, ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী কামালের কাছে চাল কম দেয়ার কথা জানতে চাইলে কামাল বলেন, আপনি গিয়ে আমার নামে মামলা করেন। পৌর সভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল চেয়ারম্যন মঞ্জুর রহমান শিকদারের নিকট চাল কম দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, প্রয়োজনে ৫ কেজি করে চাল দেব, তাতে আপনাদের কি ? এ ব্যাপারে পৌর মেয়র আলহাজ্ব রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস বলেন, ঘাটতি ও পরিবহন খরচ সমন্ময় করতে ওজনে ২-১ কেজি কম দিতে পারি কিন্তু জনপ্রতি ৭ কেজি কম দেয়ার কথা আমার জানানাই। এ ব্যাপারে তদন্ত করে দেখা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফরিদ উদ্দিন জানান, দু:স্থদের মাঝে চাল কম দেয়ার কথা নয়। তবুও খোঁজ নিয়ে দেখবো।

print