স্টাফ রিপোর্টার  : পিরোজপুরের পাড়েরহাট ইউনিয়নের হোগলাবুনিয়া গ্রামের খাদিজা বেগম(৩৫) নামে এক গৃহবধুকে নির্মম ভাবে নির্যাতন করে চুল কেটে দিয়েছে তার স্বামী, সতিন, সতিনের বাবা ও ভাই। গুরুতর আহত ওই গৃহবধুকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সকালে তার স্বামী ইব্রাহিম বিশ্বাসের বাড়িতে।
হাপাতালে চিকিৎসাধীন আহত খাদিজা বেগম জানান, তার স্বামী ইব্রাহিম বিশ্বাস যৌতুকের দাবীতে দীর্ঘদিন ধরে তার উপরে বিভিন্ন শারিরিক ও মানষিক নির্যাতন করে আসছিল। এক সময় তিনি অতিষ্ট হয়ে তার স্বামীর নামে পিরোজপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং সি আর ২৪/১৬। কিছুদিন পরে ইব্রাহিম বিশ্বাস তার ৩ বছরের  মেয়ে সুমাইয়া কে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে খাদিজা বেগমকে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর ইব্রাহিম বিশ্বাস খাদিজ কে বলে স্টাম্পে সাক্ষর করতে যে খাদিজা মামলা তুলে নিবে। এ প্রস্তাবে খাদিজা রাজি না হওয়ায় স্বামী ইব্রাহিম বিশ্বাস ও তার অন্য স্ত্রী সুমাইয় আক্তার সুখী, সুমাইয়া আক্তার সুখীর ভাই রানা এবং বাবা জামাল মীরকে সাথে নিয়ে খাদিজার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। প্রথমে সকলে মিলে কিল ঘুষি লাথি মারে পরে লাঠি দিয়ে পেটায় এবং তার স্বামী ইব্রাহিম বিশ্বাস খাদিজার চুল কেটে দেয়।
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মিজানুল হক জানান এ ব্যাপারে আমাদের কাছে লিখিত কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

print