স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী বলেন জামাত শিবিরের যে কোন তান্ডব প্রতিহত করা হবে। ৫ জানুয়ারী জাতীয় নির্বাচনের সময় ইন্দুরকানীতে জামাত শিবির যে তান্ডব করেছিলো তা আজও মানুষ ভুলেনি। সে দিন সাউদখালী ঢেপসাবুনিয়া শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ও পাঠাগার কে ভেঙ্গেচুরে তছনছ করে দিয়েছিলো। সে দিন এ পাঠাগারকে রক্ষা করতে গিয়ে ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের ২ জন কর্মী জামাত শিবিরের হাতে মারাত্বক ভাবে আহত হয়। তাদের মধ্যে একজনের চোখ তুলে নেয় অন্যজনকে কুপিয়ে আহত করে।  ইন্দুরকানীতে জামাত শিবিরের আর কোন সহিংসতাকে মেনে নেয়া হবে না। তিনি আরও বলেন ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা নিরীহ বাঙ্গালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পরেছিলো। নিরস্ত্র বাঙ্গালিদের নির্বিচারে হত্যা করে ছিলো। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরে আজকে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করার জন্য জাতীয় ভাবে মন্ত্রী পরিষদে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে ২৫নং ঢেপশাবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সাউদখালী ঢেপসাবুনিয়া শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ও পাঠাগার এর আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ও পাঠাগারের সভাপতি ও ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামীযুবলীগের সভাপতি মো: আব্দুর রজ্জাক মাতুব্বরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট এম. মতিউর রহমান। আলোচনা সভায় এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মাহামুদুল হক দুলাল, সাধারন সম্পাদক মির্জা মো: মনিরুজ্জামান, পর্ত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাওলাদার মো: মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী দিলরুবা মিলন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক একরামুল কবির শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান শাওন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এইচ এম সোহাগ, শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ও পাঠাগার এর ক্লাবের পক্ষে বাহাদুর খান প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

print