মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চালানো হচ্ছে এসব বিদ্যালয়গুলো। ফলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও শিক্ষার গুণগতমান ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ঠিকমত ক্লাসে না গিয়ে অফিস কক্ষে গল্প-গুজব ও আড্ডা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাছাড়া অনেক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারি শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নির্দেশ উপেক্ষা করে চলেন। উপজেলা প্রাথমিক অফিস সূত্রে জানাযায়, মঠবাড়িয়ার একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে নব জাতীয়করণসহ ২০৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৬৪টি বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদশূন্য রয়েছে। ওই বিদ্যালয়গুলো বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যালয়গুলো হলো ২নং উত্তর বড় মাছুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩নং দক্ষিণ তুষখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪নং দক্ষিণ শাখারীকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০নং দক্ষিণ ভোলমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১২নং নিজ ফুলঝুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৪নং দক্ষিণ ফুলঝুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫নং পশ্চিম পাতাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২২নং উদয়তারা বুড়িরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৪নং নিজ ফুলঝুড়ি নূরীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৫নং পূর্ব ফুলঝুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৬নং দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৭নং দেবীপুর বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৯নং ছোট শৌলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৬নং দক্ষিণ মিরুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪২নং চালিতাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৪নং দক্ষিণ গিলাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৬নং বড় হারজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৭নং পাঠাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৯নং উত্তর দাউদখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫৩নং ছোট মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১৪নং উত্তর মিরুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১৫নং দূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫৮নং ঘটিচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬১নং উত্তর পশ্চিম মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬৪নং সূর্যমনি বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭০নং ভেচকী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭২নং কুমিরমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৫নং ঘোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৭নং বেতমোর কমরউদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮০নং বি.এন.হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮১নং উলুবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮২নং গোলবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮৬নং পশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮৮নং উত্তর সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯১নং কচুবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯২নং দক্ষিণ চড়কগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯৫নং উত্তর নলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯৬নং খেতাছিড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯৭নং দক্ষিণ সাপলেজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯৯নং তাফালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০০নং মধ্য নলীতুলাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০১নং মাথাভাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০৩নং হোতখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০৬নং মকুমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০৭নং হলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১২নং বাদুরতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪১নং রাজারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া নব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১নং পূর্ব মিঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪নং আমুরবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫নং পশ্চিম দাউদখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬নং পাঁচশতকুড়া টিকিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১নং মিরুখালী গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৪নং কাকড়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬নং পশ্চিম বড়মাছুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০নং কাকড়াবুনিয়া সমবায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২১নং পশ্চিম শাখারীকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২২নং উত্তর টিয়ারখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৩নং কুমিরমারা বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৪নং দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩১নং নলী চান্দখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৪নং কালিকাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪০নং পশ্চিম রাজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪২নং পশ্চিম বুড়িরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।  এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, প্রধান শিক্ষকের পদশূন্য থাকা বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। আগামী ২/১ মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারে।

print