ধারণা করা হচ্ছে, এই বিশ্বকাপ আযোজকের স্বত্ব পেতে আগ্রহী চীন ও আরও কয়েকটি দেশ।

১৯৩০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম আসরের স্বাগতিক ছিল উরুগুয়ে। সেই আসরের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনার ক্রীড়া সচিব কার্লোস আলিস্তার বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, উভয় দেশের প্রেসিডেন্ট ও দেশ দুটির জাতীয় ফুটবল সংস্থা একত্রে বিশ্বকাপ আয়োজন করার পরিকল্পনায় মতৈক্যে পৌঁছেছে।

বিশ্বকাপ আযোজন করতে গেলে ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরিতে শত শত কোটি ডলার খরচ করতে হবে। আর তাতে দেশ দুটির রাজনীতিবিদদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে।

২০১৪ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ ছিল ব্রাজিল। আর ২০১৬ অলিম্পিক বসে দেশটির শহর রিও দে জেনেইরোতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের পিছনে বিনিয়োগ না করে এই দুটি আসরের জন্য বিভিন্ন ক্রীড়া ভেন্যু তৈরি করার সিদ্ধান্ত তীব্র সমালোচিত হয়েছিল।

আগ্রহী দুটি দেশ আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে দুবার করে বিশ্বকাপ জিতেছে। আর্জেন্টিনা ১৯৭৮ ও ১৯৮৬ সালে এবং উরুগুয়ে ১৯৩০ ও ১৯৫০ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

২০১৮ সালে রাশিয়ায় বসবে বিশ্বকাপের আগামী আসর। আর তার পরের আসর বসবে কাতারে, ২০২২ সালে। ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ এখনও ঠিক হয়নি।

print