স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার করা আপিল আবেদনে কোনো আদেশ দেননি (নো অর্ডার) সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, এ মামলায় ১১ সাক্ষীকে জেরা সংক্রান্ত আবেদন বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন জানিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ওই আবেদনে খালেদা জিয়ার পক্ষে মামলার কার্যক্রমও স্থগিত চাওয়া হয়েছিল। আপিল বিভাগ ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন। ফলে মামলার কার্যক্রম চলতে বাধা নেই। ১১ সাক্ষীর বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ গতকাল রোববার প্রকাশিত হয়েছে। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ চাইলে লিভ টু আপিল করতে পারেন।
এদিকে ১১ সাক্ষীকে পুনঃজেরা করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা হবে বলে জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।
গত ২৭ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১১ সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করতে খালেদা জিয়ার করা আবেদন নাকচ করে দেন ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামানের আদালত। এরপর হাইকোর্টে আবেদন জানায় বেগম খালেদা জিয়া। আবেদনে রাষ্ট্রপক্ষের ৯ সাক্ষীকে মূল জেরা ও অন্য দুই সাক্ষীর পুনঃজেরা করতে চাওয়া হয়। শুনানি শেষে গত ২২ অক্টোবর ৯ সাক্ষীকে মূল জেরা করতে চেয়ে করা আবেদনটি পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ। অন্য দুই সাক্ষীর পুনঃজেরার প্রয়োজন নেই বলেও আদেশে বলা হয়।

print