ইন্দুরকানী প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার বিভিন্ন খালের ওপর নির্মিত প্রায় ২৫টি সেতু অনেক বছর ধরে বিধ্বস্ত ও জরাজীর্ণ থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী সহ এলাকাবাসী। কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসী বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সংস্কার করে ঝুঁকি নিয়ে সেতুগুলো পারাপার হচ্ছেন। সিডর সহ বিভিন্ন সময় এ উপজেলার বেশ কয়েকটি সেতু সম্পূর্ন বিধ্বস্ত ও কিছু সেতু আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেতু গুলো কয়েক বছর ধরে তেমন কোন মেরামত ও পূর্ণনির্মান করা হয়নি ।সেতু গুলো চলাচলের অনুপযোগী হওয়াই ভোগান্তীর শিকার হচ্ছে পথচারীরা। ইন্দুরকানী ও মোরেলগঞ্জ দুই উপজেলার এক মাত্র সীমান্ত সেতু বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে থাকায় দৈনিক হাজার হাজার পথচারিরা আসা যাওয়া করতে চরম ভোগান্তীর শিকার হচ্ছে। এ সেতুটি না থাকার কারনে নৌকায় দিয়ে ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল গামী ছাত্র/ছাত্রীরা। মোঃ জুয়েল,কাওসার,তুলি ও সারমিন জানান, তাদের কাছ থেকে নৌকা পারাপারে জন্য জনপ্রতি ৫ টাকা দিতে হয় এবং সঠিক সময় পাড়াপাড়ের জন্য নৌকা পাওয়া যায় না । প্রায় এক বছর হয় পাড়েরহাট মৎস বন্দরের আয়রণ ব্রিজটি সম্পূর্ন ধসে পরে । হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও ইস্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী নৌকায় পারাপার হতে হয়।সেউতিবাড়িয় ইন্দুরকানী বাজার সংলগ্ন চাড়াখালী খালের সেতু, চন্ডিপুর বলেশ^র খালের সেতু, কালাইয়া খালের উপরে কালাইয়া সেতু, দক্ষিণ ইন্দুরকানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সেতু, সেউতিবাড়ীয় স্কুলের সামনে আয়রন ব্রীজ,বালিপাড়া সাঈদখালী মোল্লাবাড়ি খালের সেতু, দক্ষিণ ইন্দুরকানী সেতু, লাহুরী বাজার সংলগ্ন খালের সেতু, উত্তর লাহুরী খালের সেতু, দক্ষিণ ইন্দুরকানী মাঝির ডরের সেতু, ইন্দুরকানী ভারানী খালের সেতু, পশ্চিম বালিপাড়া পথেরহাট খালের সেতু,বালিপাড়া তালুকদার বাজার সীমান্ত আয়রন ব্রীজ সহ, প্রায় ২৫টি সেতু কয়েক বছর ধরে নির্মাণ বা সংস্কার না হওয়ায় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ সর্বসাধারণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। এ সেতু গুলো না থাকার কারনে এলাকাবাসীরা বাঁশ ও সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করে । সেতু গুরো না থাকার কারনে যোগাযোগের ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন মহলে এ ব্যাপারে অবগতির করলেও কোন সমাধান হয়নাই । ইন্দুরকানী বাজারের ব্যবসায়ীত মো হারুন অর রসিদ জানান এ সেতুগুলোর দিকে কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই । ইন্দুরকানী উপজেলা প্রকৌশলী মো: ফরিদ আহম্মেদ জানান, ইন্দুরকানীতে বেশ কিছু ব্রীজ বিধ্বস্ত অবস্থায় পরে আছে । ব্রীজগুলো মেরামত করা জরুরি দরকার । এসব তথ্যগুলো কর্র্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে । বরাদ্ধ ও অনুমতি পেলেই মেরামতের ও নতুন ব্রীজে কাজশুরু করবো হবে।

print