স্টাফ রিপোর্টার : জাতিসংঘের শিক্ষা , সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষনকে ঐতিহাসিক প্রামান্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অসমান্য অর্জনকে জেলা পর্যায়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষ্যে কর্মসূচী প্রণয়নের নিমিত্তে এক প্রস্তুতি সভা বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সেখ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় পিরোজপুরের সকল জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৫ নভেম্বর পিরোজপুরসহ সারাদেশে এ দিনটি উদযাপিত হবে। পিরোজপুরে সকাল ১০ টায় বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে এক বণার্ঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা সর্বস্তুরের জনগনের অংশগ্রহণে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে টাউন ক্লাব মাঠের স্বাধীনতা মঞ্চে এসে শেষ হবে। সেখানে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ওরা ১১ জন শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে। এই দিনটি যথাযথভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আনন্দ শোভাযাত্রা উপ কমিটি, সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা উপ কমিটি, চলচ্চিত্র প্রদর্শনি উপ কমিটিসহ কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়। জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সেখ সভাপতির বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনটি মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্ট্রারে সংরক্ষনের ফলে ভবিষ্যতের পৃথিবীর নিপীড়িত মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর সাহস ও প্রেরণা খুজে পাবে। তিনি ২৫ নভেম্বরের আনন্দঘন দিনটি সকলের সম্মিলিত অংশ গ্রহণে গুরুত্বরোপ করেন।

print