স্টাফ রিপোর্টারঃ “সবার জন্য টেকসই ও সমৃদ্ধ সমাজ ” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় পিরোজপুরে পালিত হয়েছে ২৬ তম আন্তর্জাতিক এবং ১৯ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস। রবিবার সকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের আয়োজনে শহরের শহরের শহীদ মিনার চত্ত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। পরে শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো: আল মামুন তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: শহিদুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সাবেক আহবায়ক ও গণউন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক জিয়াউল আহসান, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা প্রিয়ংবদা ভট্টাচার্য্য প্রমুখ। র‌্যালী ও আলোচনা সভায় প্রতিবন্ধী শিশু তাদের অভিভাবক বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিক বৃন্দ সরকারি কর্মকর্তা বৃন্দ সহ সমাজের সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী সনাক্তকরণ জরিপে এ জেলায় ১১ হাজার ৮ শত জন প্রতিবন্ধীকে সনাক্ত করে তাদের প্রতিবন্ধী কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন কে অধিদফতরে রূপান্তরিত করছেন। ২০১৩ সালে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০১৩ প্রনয়ণ করা হয়েছে। নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার সুরক্ষার লক্ষে নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সরক্ষা ট্রাষ্ট আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ব্রেইল প্রেসের মাধ্যেমে ব্রেইল পুস্তক তৈরি করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। পিরোজপুর সহ দেশে ১০৩ টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্যে কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিতে সুসজ্জিত করে স্ট্রোক-প্যারালাইসিস সহ বিভিন্ন ধরণের থেরাপী এবং স্বাস্থ্য সেবা প্রদাণ করা হচ্ছে।সমাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

print