স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, সদ্য সমাপ্ত রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সকল আন্তর্জাতিক সংস্থা, দেশি বিদেশি মিডিয়া ও সারাদেশের মানুষ দেখেছে নিরপেক্ষ হয়েছে। একমাত্র বিএনপিই বলেছে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। সব কিছু ভিন্ন চোখে দেখা বিএনপির রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের গাজিপুর রোডস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, যারা রংপুরের অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে কুলষিত করতে চায়, তাদের কথা দেশের মানুষ আর বিশ্বাস করবেনা। খালেদা জিয়া পরিবারের বিদেশে রাখা টাকার কথা আজকে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রকাশ পাচ্ছে। তার এতিমদের টাকা আত্মসাৎ করার মামলার বিচারও সমাপ্তির পথে।আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বর্তমান ক্ষমতাশীল সরকারের অধীনেই অংশগ্রহণ করতে হবে জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকার আর কোন দিন বাংলাদেশে ফিরে আসবেনা। আর সহায়ক সরকার বলে কিছু নেই। আগামি যে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট আবারো রাষ্ট্র পরিচালনার দ্বায়িত্ব পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান দেশটাকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধকে নষ্ট করেছে। বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ভাষণ আজকে বিশ্ব বিখ্যাত ভাষণ। এই ভাষণ জিয়া আমাদের প্রচার করতে দেয় নাই। এটা নিষিদ্ধ করেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের তিনি দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিলেন।তিনি আরো বলেন, পরবর্তীতে জিয়ার স্ত্রী খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনীদের নির্বাচিত করে সংসদে বসিয়েছিলেন। ২০০১ সালে তিনি ক্ষমতা পেয়ে আওয়ামী লীগ ও দেশের মানুষের প্রতি ভয়াবহ অত্যাচার করেছেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতি সে সময় ভোলায় এসে বিএনপি’র অত্যাচার থেকে রেহাই পাননি। তাকে সেদিন জনসভা করতে দেয়নি বিএনপি। এই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি। কিন্তু আমরা ক্ষমতায় এসে তাদের উপর কোন প্রতিশোধ নেইনি। কারণ প্রতিহিংসার রাজনীতি আওয়ামী লীগ কখনও করেনা।আগামী বছরের মধ্যে ভোলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে উল্লেখ করে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে বর্তমানে শতকারা ৮৩ জন মানুষ বিদ্যুতের সুবিধা ভোগ করছে। ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষ এই সুবিধার আওতায় আসবে। সারা বিশ্ব আজ বাংলাদেশের প্রসংশা করছে। দেশ এগিয়ে চলছে দূর্বার গতিতে।এসময় জেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, পৌর মেয়র মো: মনিরুজ্জামান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

print