স্টাফ রিপোর্টার: পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের এক ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে চুরির নাটক সাজিয়ে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে শাস্তি দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার সকালে নাজিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলণ অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অভিযোগকারী শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান বেপারী।
লিখিত বক্তব্য তিনি অভিযোগ করেন, বিগত শ্রীরামকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান উত্তম কুমার মৈত্রর বিরোধী পক্ষের হয়ে তিনি কাজ করেছিলেন। এই কারনে তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়নের তাকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবে হেয়পতিপন্ন করার জন্য এবং নির্বাচনে তার বিরোধীতা করার প্রতিশোধ নেয়ার জয়পুর(উদয়তারা) গ্রামের ফিরোজা বেগম কে একটি বিজিএফ এর কার্ড দিবে বলে ফিরোজা বেগমের একটি ছাগল চুরির মিথ্যা নাটক সাজায়। এরপর গত ৪ ডিসেম্বর রাতে হঠাৎ করে ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ দিয়ে তাকে শ্রীরামকাঠী বাজারে আওয়ামীলীগ অফিসে ধরে নিয়ে যায়। এরপর তার ফিরোজা বেগমের কথা শুনেই তাকে দোষী সাবস্ত করে এবং তার পকেটে থাকা ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা চেয়ারম্যানে লোকজন ছিনিয়ে নেয় । এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার মৈত্রর নেতৃত্বে ইউপি সদস্য মনোজ মন্ডল, মিরা হাওলাদার, মো: ফারুখ হাওলাদার, রতন কুমার মৈত্র, কমল মন্ডল সহ কয়েক জন তাকে মারধর করে।
লোকমান বেপারী লিখিত বক্তব্য আরো বলেন, স্থানীয় একটি সভ্রন্ত মুসলিম পরিবারে সন্তান তিনি। তাদের অর্থ বিত্ত সবই আছে। কেন তিনি একজন হত দরিদ্র নারীর ছাগল চুরি করে বিক্রি করতে যাবেন। মূলত ইউপি চেয়ারম্যান তার নির্বাচনী বিরোধীতার করার জন্যই ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নেয়ার জন্যই এই চুরির নাটক সাজিয়ে তাকে শাস্তি দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, এ ঘটনার তিনি পিরোজপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন এবং এটা তদন্তাধীন রয়েছে। তাই তিনি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে সঠিক বিচার দাবী করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উত্তম কুমার মৈত্র এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

print