স্টাফ রিপোর্টার :সরকারের সকল নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে এবং প্রশাসনের নাকের ডগায় পিরোজপুর জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অবৈধ ‘স’মিল (করাত কল)। যার ফলে ব্যাক্তি মালিকানা বনসমূহ থেকে শুরু করে রাষ্টিয় বন (বন বিভাগের সৃজিত বাগান) সমূহ উজাড় হচ্ছে দিন দিন ব্যাহত হচ্ছে পরিবেশের ইকো সিস্টেম। এতে ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের অন্য দিকে সরকার হাড়াচ্ছে বড় অংকের রাজস্ব। বছরের পর বছর তারা সরকারের সাথে প্রতারণা করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে বন বিভাগের এক শ্রেনীর অসাধু কর্মকর্তা মিল মালিকদের নিকট থেকে বাৎসরিক ধান্ধা করে। এতে করে লাভবান হয় ওই কর্তারা ও মিল মালিকরা। অপর দিকে সরকারের রাজস্ব তহবিলের খাতা শুণ্যই থেকে যায়।
খোঁজ-খবর নিতে সরেজমিনে জানা যায়, পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের দক্ষিণ নামজপুর এলাকায় প্রতিপক্ষের জমি দখলের জন্য অবৈধ করাত কল স্থাপন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভূগিরা এবং এলাকাবাসী প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানে লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, জেলার সদর উপজেলার নামাজপুর মৌজার এসএ ৪৪৭, খতিয়ানের ৪১২২ নং দাগ তথা বি,এস ১০৫৯ এর সম্পত্তির মূল মালিক নামাজপুর এলাকার মো. হুমায়ুন কবির মোঘল ও তার শরীকগণ। কিন্তু উক্ত জমি দখলের জন্য নামাজপুর এলাকার মৃত আজাহার আলী মোঘলের পুত্র শহিদুল ইসলাম মোঘল ও মৃত আ: কাদের শেখের পুত্র রুহুল আমিন শেখ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ এবং বন আইন-১৯৭২ উপেক্ষা করে সেই জমির উপরে কোন প্রকার লাইসেন্স, ছাড়পত্র ব্যাতিত একটি করাত কল স্থাপন করেছে। এদিকে এই করাত কল স্থাপনে স্থানীয়দের নানা প্রকার ক্ষতি হচ্ছে বলে জানাগেছে।
এ ব্যপারে হুমায়ুন কবির মোঘল জানান, আমাদের কাছ থেকে দির্ঘ ৮ থেকে ১০ বছর ধরে এই জমিটি ভাড়া নিয়ে অবৈধ করাত কল স্থাপন করে জমি দখলের পায়তার চালিয়ে চাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তরা এ প্রতিবেদককে জানান, করাত কলের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

print