স্টাফ রিপোর্টার : সরকারি চাকরিতে জামায়াত-শিবির ও রাজাকারসহ স্বাধীনতাবিরোধীরা ও তাদের সন্তানদের নিয়োগ বন্ধসহ ৬ দফা দাবীতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করেছেন পিরোজপুরের শ্রমিক-কর্মচারি-পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এবং প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ। বুধবার সকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও উপ-সচিব মো: মোস্তাফিজুর রহমান এর মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ স্মারকলিপি প্রদান করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সমীর কুমার বাচ্চু, সাবেক কমান্ডার মো: ফজলুল হক সেন্টু, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এম এ রব্বানী ফিরোজ, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আ: মান্নান দরানী, ইন্দুরকানি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো: বেলায়েত হোসেন হাওলাদার, কাউখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মো: আলী হোসেন তালুকদার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক মো: রেজাউল করিম মন্টু সিকদার ।
স্মারকলিপিতে দাবী গুলো হলো: ১. মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন করতে হবে। ২. যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রের আয়ত্তে আনতে হবে। ৩. যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের তালিকা প্রকাশ এবং তাদের সন্তান ও প্রজন্মকে ১০ পুরুষ পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত সকল প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা এবং স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি যারা সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল করা। ৪. কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে যারা বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। ৫. যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে দেশে অরাজকতা ও অশান্তি সৃষ্টি করেছে তাদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। ৬. বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে সকল প্রতিক্রিয়াশীল শিক্ষকগণ নেপথ্যে থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মদদ দিয়েছে অনতিবিলম্বে তাদের অব্যাহতিসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা।

print