স্টাফ রিপোর্টার : উচ্চ আদালতের আদেশের পরেও যোগদান করতে পারছে না করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল হালিম হাওলাদার। নানা তালবাহান ও হয়রানির শিকার হয়ে তিনি এখন বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সাময়িক বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল হালিম হাওলাদারকে উচ্চ আদালতের এক আদেশে তাকে পুনর্বহালসহ বকেয়া বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করার কথা বলা হয়। এ আদেশের প্রেক্ষিতে বরিশাল মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অবগতি করনে। কিন্তু এ আদাশের প্রায় ৫ মাস অতিবাহিত হলেও প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল হালিম হাওলাদার এখনো বিদ্যালয়ের তার স্বপদে পুনর্বহাল হতে পারেনি এবং পরিশোধ করা হয়নি তাকে বকেয়া বেতন-ভাতাদি।জানাযায়, করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল হালিম হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলে তিনি তার স্বপদে পুর্নবহালের জন্য উচ্চ আদালতে ২০১৭ সালের ০৫ অক্টোবর একটি আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর তাকে তার সাময়িক বরখাস্ত বাতিল করে স্বপদে পুর্নবহালের আদেশ দেন। প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল হালিম হাওলাদার জানান, উচ্চ আদালতের আদেশের পরও তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান করতে পরছে না। এমনকি তার বকেয়া বেতন-ভাতাদিও দেয়া হচ্ছে না। দীর্ঘদিন যাবত তার যোগদানের বিষয়ে নানা তালবাহানা করছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়লে পরিচালনা পরিষদ।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতিকে অব্যাহতি দেবার পর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উক্ত পদে দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অজ্ঞাত কারণে দায়িত্ব নিচ্ছে না।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কাশেম মো: বুলবুল জানান, প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল হালিম হাওলাদারের স্বপদে পুর্নবহালের উচ্চ আদালতের আদেশ তিনি পেয়েছেন। কিন্তু এ বিষয়ে প্রথম করনীয় উক্ত বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের। পরিষদ তাকে পুর্নবহাল না করলে তার কিছু করার নাই। এদিকে বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিচলনা পরিষদের প্রাক্তন সভাপতির সাক্ষর দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের জন্য রূপালী ব্যাংক পিরোজপুর শাখায় বিল জমাদেয়া হয়। কিন্তু উচ্চ আদালতের ঐ আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিলটি বাতিল করে দেন বলেন জানান রূপালী ব্যাংক পিরোজপুর শাখায় ব্যবস্থাপক মো: হাফিজুর রহমান।

print