কৌতুক- এক : আর্ট গ্যালারিতে প্রেমিক-প্রেমিকা
প্রেমিক-প্রেমিকা আর্ট গ্যালারিতে গেছে। ঘুরতে ঘুরতে তারা একটি ছবির সামনে এসে দাঁড়াল। প্রচলিত কাপড় পরা নয়, শুধু উর্ধ্বাঙ্গে আর নিম্নাঙ্গে দুটো বড় পাতা দিয়ে ঢাকা। ছেলেটি মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল অনেকক্ষণ ধরে।

বেশ কিছুক্ষণ পর মেয়েটি বলে উঠল-
মেয়ে : বের হবে তো নাকি? না বাতাস এসে পাতা উড়িয়ে নেওয়া পর্যন্ত তাকিয়েই থাকবে?

****

কৌতুক- দুই : কিভাবে পিঁপড়া মারতে হয়?
পল্টু পরীক্ষা দিতে গেল। পরীক্ষায় প্রশ্ন এলো- ‘কিভাবে একটা পিঁপড়া মারতে হয়?’
পল্টু উত্তর লিখেছে-
‘প্রথমে চিনির সঙ্গে মরিচের গুড়া মিশায়ে রেখে দিতে হবে। পিঁপড়া সেটা খেয়ে পানি খুঁজবে চারদিকে। পানির বালতিতে যেয়ে পিঁপড়াটা পড়ে যাবে। তারপর পিঁপড়া নিজেকে শুকাতে আগুনের কাছে যাবে, আগুনের কাছে আগে থেকেই একটা বোমা রাখা থাকবে। বোমা ফুটে পিঁপড়া আহত হয়ে হাসপাতালে যাবে। তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক দেওয়া থাকবে, সেই
অক্সিজেন মাস্কটা খুলে দিলেই পিঁপড়াটা মরে যাবে।’

****

কৌতুক- তিন : তুমিও কোথাও চলে যাও
এক লোক তার বন্ধুর বাসায় গেল। কলিং বেল টিপল। বল্টু দরজা খুলল-
লোক : তোমার বাবাকে একটু ডাকো তো।
বল্টু : বাবা বাসায় নেই, বাজারে গেছেন।
লোক : তাহলে তোমার বড় ভাইকে ডাকো।
বল্টু : বড় ভাই তার বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলতে মাঠে গেছেন।
লোক : তোমার মাকে ডাকো। তিনি তো বাসায় আছেন?
বল্টু : না। মা বিউটি পার্লারে গেছেন।
লোক : সবাই যখন বাইরে গেছে; তখন তুমিও কোথাও চলে যাও।
বল্টু : জ্বি, তাই তো আমি আমার বন্ধুর বাসায় চলে এসেছি।

print