আবুল কালাম আজাদ : এখন শিশুকাল, যার থাকার কথা স্কুলে, যার খেলার কথা সহপাঠীদের সাথে, সব সময় থাকার কথা আনন্দে উচ্ছ্বাসে আর বাবা মায়ের আদর স্নেহে। কিন্তু অভারের তাড়নায় সব আনন্দ, লেখাপড়া পালিয়েছে এই কৈশর জীবন বেল্ললের। উপজেলা পরিষদে যাবার জন্য মঠবাড়িয়া স্ট্যান্ডে দাড়িয়েছি। ডাক দিলাম ওকে দেখেই চিন্তুা করলাম এতো ছোট বয়সে ব্যাটারি চালিত রিক্সা চালাতে আর কাউকে দেখিনি। নাম বেল্লাল হোসেন, বয়স ৮ কি ৯ বছর।বাবা আবু মিয়া সেও দরিদ্রতার জন্য রিক্সা চালায়। ২ ভাই এক বোন। বাড়ী মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের বাইশকুড়া গ্রামে। মা পৌরসভার রাস্তা ঝাড়– দেয়। বোন কমলা বেগম অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের এর কাজ করে। লেখাপড়ার কথা জিজ্ঞেস করতেই বলে লেখাপড়া করতে টাকা লাগে। পাবো কোথায়? পরিবার অসহায় তাই করতে পারতাছিনা।
তাই বাবাকে একটু সহায়তা করার জন্য রিক্সা চালাই। ছোট বলে সকলে ডাকে, কথা বলে, ভাড়াও দেয়। ভবিষ্যত কি জিজ্ঞেস করতেই বলে জানিনা ও বুঝিনা।
আমরা একবার ভাবি এই ছেলেটির আগামী দিনের অবস্থা কি হবে? যদি কোন সমাজপতি বিত্তবান এর নজরে আসে তাহলে হয়তো ওর জীবন বদলে যেতে পারে এটাই আশা করছি।

print