স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মো: হাবিবুর রহমান মালেক বলেন, ব্যাক্তি মুজিবের চেয়ে আদর্শের মুজিব অনেক বেশী শক্তিশালী, ওরা মুজিবকে হত্যা করেছে তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিল সোনার বাংলার, যেখানে ক্ষুদা থাকবে না, দারিদ্র থাকবে না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তার যোগ্য উত্তরসুরী মানবতার মা বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমার বসন্তের কোকিল নই, আমার শ্রাবণের কোকিল নই, আমার সারা বছরের কোকিল। আমার বসন্তেও থাকি, শ্রাবণেও থাকি। আমার পিরোজপুরের মানুষকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কায়েমের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কর্মী হিসেবে কাজ করে যাবো। যারা দেশের স্বাধীনতা চায় নি তারাই বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই, সুযোগ পেলেই তারা আবার পিছন দিয়ে হামলা চালাবে। তাই আমাদের সবাইকে একত্রিত থাকতে হবে। তিনি শনিবার জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। শহরের টাউন ক্লাব মাঠের স্বাধীনতা মঞ্চে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান খান তালুকদার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, যে সকল নেতারা আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের হুমকি দিয়ে বলেন এক মাস পরে কোথায় যাবেন, তাদের কে বলি আপনারা ভাবুন কোথায় যাবেন। আপনার টিয়ার খেয়েছেন, জিয়ার খেয়েছেন, কাবিখাও বাদ দেন নি। আপনারা এমন কোন জায়গা নেই যে দুর্নীতি করেননি। এক মাস পর দুর্নীতি বাজরা এই পিরোজপুর থেকে কোথায় যাবেন তাই চিন্তা করুন। আপনাদের ঢাল নেই, তরবারী নেই- আপনারা হচ্ছেন নিধিরাম সর্দার। কর্মী নাই, কোন কর্ম নাই-কান্ড নাই, নাই কোন রাজনৈতিক কর্মী তারা কোন নেতা হতে পারে না। সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. এম এ হাকিম হাওলাদার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নিদের্শনা আমাদের এক সাথে কাজ করে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন আগামী নির্বাচনে কোন দুর্নীতিবাজরা ঠাঁই পাবে না, জনপ্রিয়তা দেখে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীরাই নির্বাচনের জন্য বাছাই করা হবে। সভায় অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহ আলম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ইছাহাক আলী খান পান্না, জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য গোলাম হায়দার, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. আব্দুর রাজ্জাক খান বাদশা, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মতিউর রহমান সরদার, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনকি সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনকি সম্পাদক এ্যাড. মো: মোস্তফা কামাল, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এ্যাড. খান মো: আলাউদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক গৌতম চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ চাঁন মিয়া মাঝি, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল করিম সিকদার মন্টু, ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. মতিউর রহমান, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন নান্না পোদ্দার, জেলা জামিয়াতুল মোদাচ্ছেরিনের সাধারণ সম্পাদক মাও. ফারুক আহমেদ, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মনিরুজ্জামান পল্টন, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আমিরুল ইসলাম মিরণ, জেলা শ্রমীকলীগের আহবায়ক মজনু তালুকদার, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক আক্তারুজ্জামান মানিক, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মানিক, পৌর যুবলীগের আহবায়ক কেএম মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইরতেজা হাসান রাজু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের সাবেক ভিপি মাসুদ আহমেদ রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সরকারি সোহ্রাওয়ার্দী কলেজের সাবেক ভিপি ফয়সাল মাহবুব শুভ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম টিটু, শিক্ষার্থী চন্দিকা মন্ডল সহ জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। সভা পরিচালানা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ ফিরোজ আহমেদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য তৌহিদুল ইসলাম হিরু ।

print