বাসস,পিরোজপুর : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় উপকূলীয় পিরোজপুর জেলার ৩টি উপজেলায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ৫শ ২৪টি প্রকল্পের কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।
ভান্ডারিয়া-কাউখালী এবং ইন্দুরকানীতে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে পিএসএফ ও গভীর নলকূপ বসানো হয়েছে। ভান্ডারিয়া উপজেলায় ৪২টি , ইন্দুরকানীতে ৩টি এবং কাউখালীতে ৫টি স্যানিটারি ল্যাট্রিন বসানো হয়েছে পাবলিক প্লেসে। জনসাধারণ এসব ল্যাট্রিন ব্যবহার করতে পারবে। এ ল্যাট্রিন স্থাপন করতে খরচ হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ভান্ডারিয়ায় ৪৬টি, কাউখালীতে ১৫টি এবং ইন্দুরকানীতে ৯টি পিএসএফ স্থাপন করা হয়েছে। পুকুর পরিষ্কার, স্যান্ড ফিল্টার ট্যাঙ্ক নির্মাণ এবং টিউবওয়েল বসাতে এ প্রকল্পে খরচ হয়েছে ৫৮ লক্ষ টাকা। ৭০টি পুকুরে বসানো পিএসএফ থেকে বিশুদ্ধ পানি নিতে পারবে এলাকার হাজার হাজার মানুষ। গভীর নলকূপ বসানো হয়েছে ভান্ডারিয়ায় ৪শ ৪৪টি, কাউখালীতে ৫০টি এবং ইন্দুরকানীতে ৩০টি। অগভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিক এর সন্ধান পাওয়ায় সরকার গভীর নলকুপ বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এ নলকূপ বসাতে খরচ করা হয়েছে ৬ কোটি টাকা। ভান্ডারিয়া কাউখালী এবং ইন্দুরকানী উপজেলার প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ এখন পিএসএফ এবং গভীর নলকূপের বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে পারছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় এই বিশুদ্ধ পানির প্রকল্পে ও স্যানিটারি ল্যাট্রিন বসানোর কাজ সমাপ্ত করেছে। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত রঞ্জন রায় বাসস’কে জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্প যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় এসব এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হয়েছে।

print