অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের পাশাপাশি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে অনেকেই অল্টারনেটিভ মেডিসিনের দ্বারস্থ হচ্ছেন। সঙ্গে চলছে ব্যায়াম ও খাবারের রুটিন বদল। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে কাজ দিতে পারে চার প্রকারের মশলা।

হলুদ

ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধী ও ব্যাথা কমাবার জন্য হলুদের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। গবেষকরা বলছেন, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণেও হলুদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে। এমনই একটি গবেষণা পত্র প্রকাশিত হয়েছে এভিডেন্স বেসড কনেটমপোরারি অ্যান্ড অল্টারনেটিভ মেডিসিন-এ। দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যেত পারে বলে জানানো হচ্ছে।

লবঙ্গ

অ্যান্টিসেপ্টিকের পাশাপাশি রক্তে শর্করা কমাতে কাজ দেয় লবঙ্গ।

রসুন

নিয়মিত রসুন খেলে ইনসুলিন ক্ষরণের পরিমাণ বাড়ে। এতে রক্তে ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এমটাই জানাচ্ছে বিশিষ্ট জার্নাল ফাইটোমেডিসিন।

দারচিনি

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে ভালো পরিচিতি রয়েছে দারচিনির। তবে এটি ইনসুলিন ক্ষরণের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। বিশেষকরে ফাস্টিং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ দেয়। চায়ের সঙ্গে দারচিনি দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

print