ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার দলিল লেখক মো. ফোরকান জোমাদ্দার এর মেয়ে গৃহবধূ শারমিন আক্তার তিশার পা ভেঙে দিয়েছে স্কুল শিক্ষক স্বামী মিল্লাত হোসেন। গুরুতর আহত আহত তিশা ভা-ারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ যৌতুকের দাবি তুলে গৃহবধূর স্বামী এ নির্যাতন চালায়।
আহত গৃহবধূ তিশার বাবা ফোরকান জোমাদ্দার জানান, প্রায় ৯ বছর পূর্বে ভা-ারিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী রাজাপুর উপজেলার দক্ষিণ তারাবুনিয়া গ্রামের মো. তোফাজ্জেল হোসেন হাওলাদার এর ছেলে মিল্লাত হোসেনের সঙ্গে তিশার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে দক্ষিণ তারাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তিশার স্বামী মো. মিল্লাত হোসেন হাওলাদার প্রায়ই স্ত্রীকে দিয়ে নানা ছল ছুতায় চাপ দিয়ে শ্বশুর বাড়ি টাকা পয়সা এনে দিতে বলত। সম্প্রতি মিল্লাত শ^শুর বাড়িতে মোটা অংকের টাকা যৌতুক দাবি করে এতে স্ত্রী তিশা রাজি না হওয়ায় তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন নেমে আসে। একপর্যায়ে গত ৩০ অক্টোবর সকালে উভয়ের মধ্যে কথার কাটা-কাটি হলে স্বামী মিল্লাত স্ত্রীকে বেধরক পেটায়। এক পর্যায়ে ঘরের দরাজা জানালা বন্ধ করে কুঠারের হাতল দিয়ে পিটিয়ে তিশার পা ভেঙে দেয়। এসময় শারমিন ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে তিশার স্বজনদের খবর দেয়। স্বজনরা প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাকে ্উদ্ধার করে ভা-ারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিশার বাবা ফোরকান জোমাদ্দার জানান, এ ঘটনায় ভান্ডারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে, আদালতে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। তার মেয়ের দুটি ফুট ফুটে সন্তানও রয়েছে।সন্তানদো ভবিষ্যতের কথা ভেবে এতদিন আইনের আশ্রয় নেয়া হয়নি। তিনি নির্যাতনকারী মিল্লাতকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানান। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক মিল্লাত স্ত্রীকে মারধরের কথা শিকার করে বলেন, যৌতুকের জন্য তাকে মারধর করিনি, আমি মারধর করছি কিসের জন্য তা তিশার কাছ থেকে জেনে নিন। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাইনা।

print