বর্তমানে আমাদের অনেকেরই বাড়িতে এলোভেরা গাছ টবে লাগানো থাকে।কিন্তু আমরা এর উপকারিতা সম্বন্ধে অজ্ঞাত। এবার আপনাদের জানাবো অ্যালোভেরার উপকারিতা। ঘৃতকুমারী যা আমরা অনেকে এলোভেরা বলে থাকি।

এই উদ্ভিদ হৃদযন্ত্র,স্নায়ুতন্ত্র,মুখের ঘা,পেটের সমস্যা,রূপ-সৌন্দর্য তৈরি করতে ও আরো বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রতিদিন এক গ্লাস করে এলোভেরা পাতার নির্যাসের শরবত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

অনেক সময় অ্যালোভেরা পাতার নির্যাসের শরবত রাস্তাঘাটে বিক্রি করতে দেখা যায় কিন্তু এই গুলি খাওয়া উচিত নয় এর থেকে ভালো আপনি ঘরে বসে বানান।

১। এলোভেরার নির্যাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে পরিমিত পরিমাণে পান করলে হৃদযন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্র সবল হয়।
২। মুখে ঘা, শূল, জ্বল এবং পেটের পীড়ায় এলোভেরা নির্যাস খুবই উপকারী।
৩। ঠোটের কোণে কিন্বা জিব্হায় ঘা হলে এলোভেরা পাতার টুকরো ব্যবহৃত হয়। পাতার দুপাশে পাতলা স্তরটি ফেলে মুখের ভেতরে রাখলে জিব্হার ঘা সেরে যায়।

৪। এলোভেরার নির্যাস বের করে মুখে ম্যাসাজ করলে মুখের স্কিন সুন্দর হয় এবং লাবণ্যতা বৃদ্ধি পায়।

৫। জ্বর এবং পেটের পীড়া হলে এলোভেরার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হয়।

৬। গ্যাস্টিক, আলসার সারাতেও এলোভেরা পাতার রস খুবই উপকারী।

৭। প্রচণ্ড গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এলোভেরা পাতার রস সরবত করে খেলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে।

৮। এলোভেরা পাতার রস মাথা ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে।

৯। এলোভেরা যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি ও স্কিন সুন্দর করে।

এছাড়াও এলোভেরা অনেক এলোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এলোভেরা গাছ নার্সারিতে পাওয়া যায়। ওখান থেকে কিনে আপনি আপনার ঘরে লাগাতে পারেন তবে লাগাতে পারে। একটি গাছের কুশি থেকে আরেকটি গাছের জন্ম হয়।

print