স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুর সদর উপজেলা কলাখালী ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত যুবলীগ নেতা সাকিল আহমেদ আশিষের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার আছর নামাজ বাদ দাউদপুর কলেজ মাঠে জানাযা শেষে দাউদপুরে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এরআগে আজ বিকেলে ৩ টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে কলাখালী ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের তার নিজ বাড়িতে নিহত সাকিল আহমেদ আশিষের নিয়ে আসলে এক হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিহত যুবলীগ নেতা সাকিল আহমেদ আশিষ (৪০) পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের মৃত মোকছেদ আলী হাওলাদারের পুত্র।
কলাখালী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আসাদ খান জানান, বৃহস্পতিবার পিরোজপুর জেলা জজ আদালতে একটি মামলায় হাজিরা শেষে বাড়ী ফেরার পথে দুপুর ১২.৩০ টার দিকে কলাখালী-পিরোজপুর সড়কের কৈবর্ত্যখালী নামক স্থানে ১০ থেকে ১৫ জনের একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। পরে সেখানে সে মারা যায়।
পরে আজ শুক্রবার বিকেলে তার লাশ কলাখালীতে বাড়িতে আনা হয় এবং স্থানীয় দাউদপুর কলেজ মাঠে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় জানাযায় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ¦ মো: হাবিবুর রহমান মালেক, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাহাজাহান খান তালুকদার, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সিকদার মন্টু, জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ চাঁন মিয়া মাঝি, কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুজ্জামান শিমুল, কদমতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হানিফ খান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব সহ জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ স্থানীয় হাজারো জনগণ।
পিরোজপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ¦ মো: হাবিবুর রহমান মালেক জানান, যুবলীগ নেতা সাকিল আহমেদ আশিষের উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন। এছাড়া তিনি আরো জানান, শান্ত কলাখালী ইউনিয়ন কেন আজ সন্ত্রাসের এলাকায় পরিনত হয়েছে আর এর পিছনে কারা জড়িত তাদের খুঁেজ বের করে শাস্তির ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেন প্রশাসনের প্রতি।

print