শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:২২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পিরোজপুরে দায়িত্ব নিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সালমা রহমান হ্যাপী পিরোজপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে পান্না সভাপতি ও রতন সাধারণ সম্পাদক বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত রেড ক্রিসেন্টে পিরোজপুরে প্রথম নারী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সালমা রহমান হ্যাপী পিরোজপুরে পরাজিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ পিরোজপুরে জননী টিম্বার এন্ড ডোর হাউজের উদ্বোধন করলেন চেম্বার সভাপতি পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক নাজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগে মোশারেফ সভাপতি-আশুতোষ সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের ৫৯ জন চেয়ারম্যানকে শপথ করালেন প্রধানমন্ত্রী অবৈধ লেনদেনের বিনিময়ে অছাত্র ও বিতর্কিত লোকদের নিয়ে পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের কমিটি : প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সদ্য ঘোষিত পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ ধর্ষণ মামলার প্রতিশোধ নিতেই পিরোজপুরের ইউপি সদস্যকে খুন করেন সাবেক চেয়ারম্যান

মঠবাড়িয়ায় মেজর পরিচয়ে কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে : গ্রেফতার ২

পিরোজপুরের মঠাড়িয়ায় সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে এক কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে করেছে মাসুম চৌধুরী আপন (৩৭) নামে এক প্রতারক। প্রতারক মাসুম সিরাজগঞ্জের কাজিপুর থানার পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের পুত্র। এঘটনায় ওই কলেজ ছাত্রী বাদী হয়ে প্রতারক মাসুম ও ঘটক সেলিনাকে আসামী করে রোববার মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা করেছেন।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, ঘটক সেলিনা বেগম ওই কলেজ ছাত্রীর পার্শ্ববর্তী তুষখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা। সম্প্রতি সে সেনাবাহিনীর ভূয়া মেজর প্রতারক মাসুমকে নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে অভিভাবকদের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এ সময় মাসুম নিজেকে সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেন এবং তার দুই বোন ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত বলে জানান। এতে ওই কলেজ ছাত্রীর পরিবারের লোকজন বিয়েতে রাজি হয়ে যায় এবং ১লা নভেম্বর ঢাকা যাত্রাবাড়ির অজ্ঞাতনামা এক কাজী অফিসে বসে তাদের বিবাহ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ৬ নভেম্বর ভূয়া মেজর প্রতারক মাসুম ওই কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি মঠবাড়িয়ার ফুলঝুড়িতে বেড়াতে আসে। এরপর তার প্রমোশনের কথা বলে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবী করে। তখন তার কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেজর পরিচয়দানকারী মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে কোন সদুত্তর দিতে না পাড়ায় আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহীম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাসুম একজন প্রতারক। সে সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দিয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে করলেও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কখনো সিকিউরিটি গার্ড আবার কখনো নিজেকে জুট ব্যবসায়ী দাবী করেন।
মঠবাড়িয়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আঃ হক জানান, মেজর পরিচয়দানকারী মাসুম ও ঘটক সেলিনাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017 gramersamaj.com
Design & Developed BY NCB IT