বৃহস্পতিবার, ১৮ Jul ২০২৪, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
কোটা আন্দোলনকারীদের হামলায় ছাত্রলীগের নেতা সাবাত আহত পিরোজপুরে রূপালী ব্যাংকের গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ পালন আওয়ামীলীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী (প্লাটিনাম জয়ন্তী) উপলক্ষে যুবলীগের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন ও খাদ্য বিতরণ ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য কমিউনিটি পরিচালিত খাদ্য সহায়তা কর্মসূচী’র উদ্বোধন তীব্র দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে পিরোজপুরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতার বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ পিরোজপুরে মহান মে দিবস পালিত পিরোজপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ টাকার চেক ও টিন বিতরণ পিরোজপুরে রূপালী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেনিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত বিলুপ্তপ্রায় শীতল পাটি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে রূপালী ব্যাংকের প্রকাশ্যে কৃষি ঋন বিতরন পিরোজপুরে রূপালী ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মঠবাড়িয়ার মামুনকে সহায়তা দিলেন ডিসি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দক্ষিণ বড়মাছুয়া গ্রামের দিনমজুর আল আমিন আকনের ছেলে মামুন আকন এবছর   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটে  ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু অর্থাভাবে মেধাবী মামুন আকনের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছিল।  মামুন আকনকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থিক সহায়তা দিয়েছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান।
গতকাল রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মামুন আকনের হাতে সহায়তা হিসেবে নগদ টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এসময় মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঊর্মি ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন।
মামুন আকনকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঊর্মি ভৌমিকের নজরে আসে। এরপর ইউএনও মামুন আকনের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানান।
মামুন আকন ২০১৯ সালে বড়মাছুয়া ইউনাইটেড হাই ইনস্টিটিউশনের থেকে মামুন আকন জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। ২০২১ সালে মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েও জিপিএ-৫ পান। এরপর সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। ‘গ’ ইউনিটে  ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর অবস্থান ৫৩তম।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মামুন আকনের বাবা আল আমিন আকন  দিনমজুর। আল আমিন আকনের আয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পাঁচ জনের সংসার চালানো ছিল কষ্টকর। পরিবারটির দেড় কাঠা জমির ওপর বসতঘরটি ছাড়া কোন জমিজমা নেই । প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন মামুন আকন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ভর্তির টাকা কিভাবে জোগার হবে সেই চিন্তায় ছিলেন মামুন আকন ও তাঁর পরিবার।
মামুন আকন বলেন, বসত ঘর ছাড়া আমাদের কোন সম্পদ নেই।  বাবা দিনমজুরের কাজ করে যা পান তা দিয়ে সংসারের খরচ চলে। প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ভর্তির টাকা জোগার ও থাকা খাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। জেলা প্রশাসক স্যার ২০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছেন। এজন্য ডিসি স্যার ও ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017 gramersamaj.com
Design & Developed BY NCB IT